• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫০ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

ন্যাড়া হলেন খ্যাতনামা গায়ক সোনু নিগম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মসজিদের আজানে ঘুম ভেঙে যাওয়ার প্রতিবাদ করে ভারতের সোশ্যাল মিডিয়াতে যিনি ঝড় তুলেছেন, সেই বলিউড গায়ক সোনু নিগম তার বিরুদ্ধে জারি করা ফতোয়ার প্রতিবাদে বুধবার নিজের মাথার চুল কামিয়ে ফেলেছেন।

এর আগে পশ্চিমবঙ্গের এক মুসলিম ধর্মীয় নেতা, সৈয়দ শাহ আতেফ আলি আল কাদেরি ঘোষণা করেছিলেন, যে সোনু নিগমের মাথা কামিয়ে পুরনো জুতোর মালা তার গলায় ঝুলিয়ে সারা ভারত ঘোরাতে পারবে তাকে তিনি ১০ লক্ষ রুপির ইনাম দেবেন।

সেই খবর চোখে পড়ার পর সোমবার সকালে সোনু নিগম নিজেই আবার টুইট করেন, “আজ বেলা দুটোয় আলিম আমার বাড়িতে এসে মাথা কামিয়ে দেবেন। মৌলবি, তোমার ১০ লাখ তৈরি রাখো।”

সেই মাথা কামানোর ঘটনা দেখার জন্য তিনি সংবাদমাধ্যমকেও তার বাড়িতে আসার আমন্ত্রণ জানান।

যেমন কথা, তেমন কাজ।

ঠিক বেলা দুটোয় আলিম হাকিম আসেন সোনু নিগমের মুম্বাইয়ের বাড়িতে এবং মিডিয়ার ক্যামেরার সামনেই তাকে পুরো ন্যাড়া করে দেন।

সোনু নিগম তখন বলেন, “মাথা কামানো মানে কোনও চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়া বা নেগেটিভিটি-র বার্তা দেওয়া নয়।

“কিন্তু এটা অবশ্যই একটা প্রতীকী পদক্ষেপ – যার মাধ্যমে আমি বলতে চাইছি দেশটাকে আপনারা কোথায় নিয়ে যেতে চাইছেন? এই সব ফতোয়ার অর্থ কী?”

এর আগে সোমবার ভোর রাতে লাউডস্পিকারে আজানের আওয়াজে তার ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর সোনু নিগম যে টুইট করেন – তা নিয়ে সারা ভারতে তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে।

এসব টুইটে তিনি লেখেন: “আমি মুসলিম না। তাহলে কেন আজানের শব্দে আমার ঘুম ভাঙানো হবে?”

এরপর তিনি মসজিদে মাইক ব্যবহারের বিরুদ্ধেও কিছু মন্তব্য করে একে ‘ধর্মবোধ জোর করে চাপিয়ে দেয়া’ বলে বর্ণনা করেন।

তবে সোনু নিগম শুধু আজানের বিরুদ্ধেই টুইট করেন নি।

তিনি মন্দির এবং গুরুদুয়ারাতেও লাউড স্পিকারের শব্দ দুষণের বিরুদ্ধে মন্তব্য করেন।

তার এই মন্তব্যের পর টুইটারে তার পক্ষে-বিপক্ষে শুরু হয় জোর বিতর্ক।

অনেকেই তাকে ‘মুসলমান-বিরোধী’ বলে বর্ণনা করেন।

আবার অনেকেই বলেন, সোনু নিগম ইসলামের বিরুদ্ধে কোন কথা বলেন নি।

তিনি শুধু মসজিদে মাইক ব্যবহারের বিপক্ষে মন্তব্য করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ